Ad

Homeopthic Bangla Software

হাইপো থাইরোয়েডিজমের লক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ

 



 

হাইপো থাইরোয়েডিজমের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ

বর্তমান সময়ে হাইপো থাইরোডিজম একটু কমন প্রবলেম ছোট থেকে বড় সব বয়সে কিন্তু এই সমস্যাটি দেখা য়ায় থাইরয়েড গ্ল্যান্ড যখন শরীরের চাহিদা মত পর্যাপ্ত পরিমাণে থাইরোয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না  তখনই কিন্তু  নানা রকম লক্ষণ শরীরে প্রকাশ পেতে থাকে,

থাইরোয়েড সমস্যা, কথাটির সাথে আমরা বর্তমানে অনেকেই পরিচিত, কিন্তু আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার থাইরোয়েডের সমস্যা আছে কিনা, থাইরোয়েড আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা  রাখে, আমাদের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে, হার্ট রেট কে নিযন্ত্রণ করে, এছাড়া এটি আমাদের  শরীরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে  থাকে, আমাদেও মস্তিষ্কেও বিকাশ   বৃদ্ধিতে এটি সহায়ক

থাইরয়েড গ্রন্থিও সমস্যা হলে হঠাৎ করে  ওজন বেড়ে যায় অথবা হঠাৎ করে ওজন  কমে যায়,  অস্টিওপলোসিস রোগ দেখা যায়, কিডনি   লিভারের সমস্যা দেখা যায়, কোন কিছু ভুলে যাওয়ার সমস্যা হয়

আমাদের শরীরে  হাইপার থাইরয়েড অথবা হাইপো থাইরয়েড এই দুই ধরনের সমস্যা দেখা যায়, হাইপার থাইরডিজম এর রোগীদের ভিতরে ক্লান্তি অলসতা দেখা যায়, উদাসীনতা বোধ করে, অন্যদিকে হাইপোথিডিজমে আক্রান্ত রোগীদের ভিতরে উৎকণ্ঠা ঘুমের সমস্যা অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায়, ওজন বৃদ্ধি থাইরযয়ড সমস্যার অন্যতম কারণ, হঠাৎ করে ওজন বেড়ে যায়, আর হাইপার থাইরয়েডিজমে ওজন কমে যায়, থাইরয়েড সমস্যার জন্য আমাদেও শরীর  তাপমাত্রা ধরে রাখতে পাওে না, থাইরোডিজম এর রোগীদেও শীত অনুভূত হয়, আর হাইপার থাইরয়েডিজমের রোগীদেও  স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি গরম অনুভূত হয়, থাইরয়ড গ্রন্থিও সমস্যার কারণে বিপাকীয় কাজ বা হজমে গন্ডগোল হয়ে থাকে, ফলে হাড় পেশি মজবুত হয় না বিপাকীয় সমস্যার কারণে, এগুলো দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে, ফলে অস্টিও পোরোসিস এর মত রোগ দেখা যায়, সামান্য আঘাতেই  হাড্ডি বা বোন ভেঙে যায় থাইরয়েড সমস্যার জন্য মাথার চুল পড়ে যায়, চুলের গোড়া থেকে আলগা হয়ে যায়, চুল ঝরে পড়ে, , মানসিক অস্থিরতা দেখা যায়, কোন কাজেই মন বসে না, স্মরণশক্তির দুর্বলতা দেখা যায়, স্ত্রীলোকের অনিয়মিত মাসিক, কখনো আগে হয়, কখনো পরে হয, কোন মাসে মাসিক হয় না অনিয়ন্ত্রিত মাসিক, এই লক্ষণ গুলো যদি কারো মধ্যে দেখা যায় তাহলে মনে করতে হবে তার থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের সমস্যা রয়েছে এবার একটু দেখা যাক থাইরয়েড ঠিক রাখার জন্য আমরা কোন ধরনের খাবার  খেতে পারি

অনেকেই ধারণা  যে শুধুমাত্র ঔষধ গ্রহণের মাধ্যমেই এই  হাইপো থাইরোডিজম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কিন্তু আসলে কিন্তু তা ঠিক নয়, কারণ ঔষধের পাশাপাশি কিন্তু খাবার  নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়,

শরীরে উত্তেজনা তৈরি করে এমন জাতীয় পানীয় যেমন চা,কফি, কোলড্রিংস এগুলোকে বাদ দিতে হবে, খাবার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হাইপে থাইরোডিজম নিযন্ত্রণ করা সম্ভব, চায়ের পাতা মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে ফ্লুরাইড শোষণ করে যা হাইপো থাইরডিজমের বৃদ্ধিও জন্য সহায্য কারি ভূমিকা পালন করবে. অনেকে ওজন বৃদ্ধি কমাবার জন্য গ্রিন টি প্রচুর পরিমাণে পান করে থাকেন. এটি আসলে এই রোগের জন্য ক্ষতিকারক. তাই যাদেও গ্রিন টি খাবার অভ্যাস আছে তারা এই বিষয়ে সচেতন হবেন

এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনার খাবারে প্রচুর পরিমাণ আঁশ জাতীয় খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন. কারণ যারা হাইপোথাইরোডিজমে আক্রান্ত তাদের প্রচুর   কষ্টষ্ঠবদ্ধতা সমস্যা দেখা যায়  আর আঁশ জাতীয় খাবার আপনার ডাইজেশন কোষ্ঠবদ্ধতার উন্নতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে. আমাদের প্রতিদিন থেকে ১২ øাস পানি পান করা উচিত. কারণ মেটাবলিজম পরিচালনার জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয় আমাদের শরীরে

যেহেতু হাইপোথাইরোডিজম এর জন্য আমাদের ওজন বৃদ্ধির  একটি প্রবণতা দেখা যায় তাই প্রতিদিন আমাদের কিছু না কিছু কাইক পরিশ্রম করতেই হবে এবং কিছু পরিমাণ ব্যায়াম করা অত্যন্ত জরুরী প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট খালি হাতে ব্যায়্যাম করুন

কিছু নির্দিষ্ট খাবার যা হাইপো থাইরোডিজমে বিশেষ ভূমিকা রেখে থাকে, যেমন সবজির ভেতর ব্রকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি, শালগম, বেগুন, পালং শাক ইত্যাদি এবং ফলের ভিতওে স্ট্রবেরি, পিচ, ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবেনা সয়া সস, মেয়োনিজ ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবেনা নিয়মিত গায়ে রোদ লাগানঔষধের পাশাপাশি খাবারের দিকে নজর রাখলে অতি তাড়াতাড়ি হাইপো থাইরোয়েডিজম সমস্যার সমাধান হবে

 

 

 

No comments:

Powered by Blogger.